ট্রেন্ডিং

'মোখা' হতে পারে শতাব্দীর ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়

মোখা’ এখন মুখিয়ে আছে কক্সবাজার উপকূলের দিকে। সবাই আশঙ্কা করছে যে, ৯১ এর পর সবচেয়ে ভয়ানক ঘূর্ণিঝড় হয়ে আঘাত হানতে পারে এটি। মোখা নিয়ে আতঙ্ক ক্রমশ বাড়ছে। খুবই শক্তিশালী হবে ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’, লক্ষ্য বাংলাদেশ। আর মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে প্রলয়ংকরী শক্তিতে স্থলভাগে আছড়ে পড়তে পারে মোখা।

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’র খবর শুনে কক্সবাজারের টেকনাফের সেন্টমার্টিন দ্বীপ ছাড়তে শুরু করেছেন বাসিন্দারা। যারা এখনও বসতভিটায় রয়েছেন তারাও আছেন ভয়ে। এদিকে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্বীপের মানুষকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি সাগরের বুকে জেগে ওঠা এই প্রবাল দ্বীপসহ মিয়ানমার সীমান্তবর্তী নাফ নদের তীরে অবস্থিত শাহপরীর দ্বীপে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনীও।

এদিকে দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের জেলা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরার উপকূলীয় অঞ্চলের অধিকাংশ বেড়িবাঁধই খুব নাজুক। বেড়িবাঁধের কোথাও কোথাও মাত্র দুই থেকে তিন ফুট চওড়া মাটির বাঁধ রয়েছে। এমন দুর্বল বেড়িবাঁধ ভাঙার আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে উপকূলবাসী।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে শুক্র-শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করা হয়েছে। পরিস্থিতি বুঝে স্থগিত হতে পারে এসএসসি পরীক্ষা। আমেরিকার নৌবাহিনী পরিচালিত জয়েন্ট টাইফুন ওয়ার্নিং সেন্টারের সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুসারে ঘূর্ণিঝড় মোখা ঘণ্টায় প্রায় ১৭৭ কিলোমিটার বেগে উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানতে পারে।

সিডর প্রথম আঘাত হেনেছিলো সুন্দরবন এরিয়াতে। প্রচুর গাছপালা থাকাতে শক্তি কিছুটা কমে গিয়েছিলো। তারপরেও সব লণ্ডভণ্ড হয়েছে। কিন্তু মোখা এমন একটি উপকূলে আঘাত করতে যাচ্ছে যা হবে ভয়ানক।

উল্লেখ্য, ঘূর্ণিঝড় ঘিরে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। এ ছাড়া ঘূর্ণিঝড়ের কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker