ব্রিকসে নতুন ৬ সদস্য, নেই বাংলাদেশ

গত ২৪ আগস্ট ব্রিকসের ১৫ তম সম্মেলন শুরু হয়। সম্মেলনে নতুন ৬ টি সদস্যের নাম উন্মোচন করা হয়। ব্রিকসে নতুন ৬ সদস্য – আর্জেন্টিনা, ইথিওপিয়া, মিশর, সৌদি আরব, ইরান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত। নতুন এই সদস্যদের নিয়ে কার্যক্রম শুরু হবে ২০২৪ সাল থেকে।

ব্রিকসের ১৫ তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হন সদস্য দেশ দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট রামাফোসা বলেন, আমরা আর্জেন্টিনা, মিশর, ইথিওপিয়া, ইরান, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ব্রিকস জোটের পূর্ণ সদস্য হওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছি।

ব্রিকসের ১৫ তম সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন ৬ দেশের প্রতিনিধিগণ। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের রাষ্ট্রপতি নরেন্দ্র মোদী, দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্টপতি রামাফোসা, ব্রাজিলের রাষ্ট্রপতি লুলা, চীন এর রাষ্ট্রপতি শি জিংপিং এবং রাশিয়ার পররাষ্টমনত্রী লাভরভ। আন্তর্জাতিক জটিলতা থাকায় রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন নিজে এই সম্মেলনে যোগদান করেন নি। আমন্ত্রিত ৬৫ টি দেশের প্রতিনিধিরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ব্রিকসের সদস্য ছিলো- ব্রাজিল, ভারত, রাশিয়া, চীন এবং দক্ষিন আফ্রিকা। ব্রিকসে নতুন ৬ সদস্য নিয়ে মোট ১১ টি সদস্য হলো। তবে সম্মেলনে রামাফোসার পক্ষ থেকে জানানো হয় যে ৪০ টি দেশ ব্রিকস এ যোগদানের জন্য আগ্রহ দেখিয়েছে এবং ২২ টি দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করেছে।

ব্রিকস এ যোগদানের জন্য বাংলাদেশ যথেষ্ট, তবে বাংলাদেশকে যোগদানের জন্য আমন্ত্রন জানানো হয়নি। বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি এই প্রসেঙ্গে পররাষ্টমন্ত্রী বলেন, “আমরা গায়ে পড়ে ব্রিকসের সদস্যপদ চাই না। কারন, আমরা এখানো চুল-ছেড়া বিশ্লেষণ করছি।” তবে ব্রিকস এর সম্মেলনে নিজের বক্তৃতা রেখেছেন শেখ হাসিনা। তিনি ব্রিকসকে ‘নতুন বাতিঘর’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন, ব্রিকসকে বিশ্বের বাতিঘর হয়ে উঠতে হবে। তিনি আরও বলেন, নিষেধাজ্ঞা- পাল্টা নিষেধাজ্ঞা থেকে বিরত থাকতে হবে।

এর আগে ২০০৯ সালে ব্রিকসের যাত্রা শুরু হয় চারটি দেশ নিয়ে। অতপর ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তারপর থেকে খুবই ধীর গতিতে ব্রিকসের কার্যক্রম চালিয়ে যায় এর সদস্য দেশগুলো। নতুন সদস্যদের সাথে নিয়ে পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে শক্তি হিসেবে কাজ করবে এরকম আশা করছে চীন ও রাশিয়া।

বিশ্ব থেকে আরো পড়ুন

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker