ট্রেন্ডিং

আইসিসি থেকে বছরে ৩০০ কোটি টাকা পাবে বাংলাদেশ

২০২৪-২০২৭ চক্রের জন্য বাণিজ্যিক মডেল আজ প্রস্তাব করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি)। প্রস্তাবিত এই মডেল থেকে বছরে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা করে পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

আইসিসির পূর্ণ সদস্যদের মধ্যে বিসিসিআই, ইসিবি ও সিএর পর ৫ শতাংশের বেশি আয় করা চতুর্থ বোর্ড হলো পিসিবি। পাকিস্তানের ক্রিকেট কর্তৃপক্ষ পেতে যাচ্ছে ৩ কোটি ৪৫ লাখ ডলারের (৫.৭৫ শতাংশ) বেশি।

অন্যদের মধ্যে নিউজিল্যান্ডের এনজেডসি প্রায় ২ কোটি ৮৩ লাখ ৮০ হাজার, শ্রীলঙ্কার এসএলসি ২ কোটি ৭১ লাখ এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের সিডব্লিউআই ২ কোটি ৭৫ লাখ ডলার পাবে। পূর্ণ সদস্যদের মধ্যে সবচেয়ে কম পাবে আফগানিস্তান, ১ কোটি ৬৮ লাখ ডলার ( ২.৮০ শতাংশ)। অর্থপ্রাপ্তির দিক থেকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড আছে ৮ নম্বরে।

প্রাথমিকভাবে আইসিসির একটি দল এবং পরে পরিচালনা পর্ষদের ফিন্যান্স অ্যান্ড কমার্শিয়াল অ্যাফেয়ার্স কমিটি রাজস্ব বণ্টনের এই কাঠামো তৈরি করেছে, যা গত মার্চে আইসিসির বোর্ড সভায় উত্থাপন করা হয়। চারটি মানদণ্ড ধরে আইসিসির আয় বণ্টন করা হয়েছে। আইসিসির মোট ৬০ কোটি ডলার আয়ের মধ্যে ভারত একাই পাবে ২৩ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় ২৫০০ কোটি টাকা), যা মোট অর্থের ৩৮.৫ শতাংশ।আর কোনো দেশের ক্রিকেট বোর্ড ১০ শতাংশও পাবে না। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড পাবে ৪.৪৬ শতাংশ। যা ২ কোটি ৬৭ লাখ ৪০ হাজার ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩০০ কোটি টাকা।

তবে এটাও স্বীকার করে নিতে হবে যে, বাণিজ্যিক আয়ে অবদান বেশি ভারতের। ক্রিকেটের বৈশ্বিক সংস্থাটির বাণিজ্যিক আয়ের ৮৫.৩ শতাংশ বিসিসিআইয়ের বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ক্রিকইনফোর দেখা সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে এ বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

ক্রিকেট বিশ্বে ‘বিগ থ্রি’ ধরা হয় ভারত, অস্ট্রেলিয়া এবং ইংল্যান্ডকে। এই তিন দেশের বোর্ড খেলাটি থেকে সবচেয়ে বেশি আয় করে থাকে। তবে এখন থেকে আর বিগ থ্রি বলা যাবে কিনা সেটি একটি বড় চিন্তার বিষয়। আয়ের দিক থেকে ভারত ক্রিকেট বোর্ড হয়ে উঠেছে ‘বিগ ওয়ান’।

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker