খুলনায় পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষ, আহত ১৫

খুলনায় পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি খুলনা জেলা বিএনপি নেতাদের। এছাড়াও তাদের ১০ নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তারা।

শুক্রবার (১৯ মে) বিকেল ৪টার দিকে খুলনা প্রেস ক্লাবের সামনে এ ঘটনা ঘটেছে। খুলনা মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (দক্ষিণ) মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের পরিচয় প্রকাশ করেনি পুলিশ। এ ঘটনায় তাদের অন্তত ২০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

ঘটনাস্থল থেকে ১০ জনকে আটক করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আর এদিকে সংঘর্ষের সময় পুলিশ গুলি ছুড়েছে বলে অভিযোগ এনেছেন বিএনপির নেতারা। তাঁদের দাবি, দিঘলিয়া সেনাটি ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মুজিবুর রহমান, খালিশপুর বিএনপির নেতা রিপন, যুবদল নেতা জাহিদুর রহমানসহ বেশ কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, খুলনা প্রেসক্লাবের লিয়াকত আলী মিলনায়তনে শুক্রবার দুপুরে ১০ দফা দাবিতে বিএনপির সমাবেশ শুরু হয়। বিকাল ৪টার দিকে ওই সভায় যোগদানের জন্য বিএনপির কেন্দ্রীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রেসক্লাবের সামনে আসেন। এ সময় নেতাকর্মীরা সেখান থেকে মিছিল বের করার চেষ্টা করতে থাকে। তখন সেখানে বিপুল সংখ্যক পুলিশ তাদেরকে বাধা দিলে বিএনপি নেতাকর্মীরা রাস্তার ওপর বসে পড়ে। একপর্যায়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা বাধা উপেক্ষা করে মিছিল বের করার চেষ্টা এবং পুলিশকে লক্ষ্য করে জুতা-স্যান্ডেল ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। তখন পুলিশ লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করলে বেশ বড়সড় সংঘর্ষ শুরু হয়ে যায়। প্রেসক্লাবের সামনে থেকে বেনী বাবু রোড, শামসুর রহমান রোড ও ম্যাটারনিটি হাসপাতালের সামনে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।

বিএনপি জানায়, সরকারের পদত্যাগ, মামলা ও গণগ্রেপ্তার বন্ধ, সরকারের দুর্নীতির প্রতিবাদ এবং ১০ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে খুলনা প্রেস ক্লাব চত্বরে বিক্ষোভ সমাবেশের আহ্বান করে খুলনা মহানগর বিএনপি। খুলনায় পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষ হওয়ার মূল কারণ বিএনপি কর্মীদের মিছিলে বাঁধা দেওয়া।

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker